শরতের বন, জংলা ফুল, বাদামের খোলস থেকে
মানুষের যতো যবনিকা আর কলঙ্ক, দূর্বাঘাস
সভ্যতার নিয়ামক হয়ে, বর্বর ঝর্ণাধারায় মিলিত।
তারার কোলাহলে ডুবে গেছে গভীর রাতের কোনো শীত-পল্লী।
বনফুল, 
সাদা ঘোড়ার পেছনে টগবগ করে ফুটছে,
দ্ব্যর্থহীন কোনো সমাজে।
পাতার গন্ধ শুঁকে
গাছ-বৃত্তান্ত বলতে পারা নিমিষেই।
বুকে ছোরা মারার অট্টহাসিতে
বেলাল্লাপনা, উপহাসের তালহীন নৃত্য।
সন্দিহান ভুরু, কপালের পলিমাটি মুছে-

আঁকো-
তোমার মন নরম হবে।

পশ্চিম কোণের বারান্দায় শায়িত চাঁদ।
দাদির আমগাছে খিসড়াবতীর অসহ্য রুপ!
কাঠপেন্সিলে যে আাঁচড় তুমি দিতে চাও,
প্রান্তিক বসন, মরুভূমির উলঙ্গ প্রান্তর
পেয়ালার আপেলের ওপর গোলাপি ওম, কাঁচের থালে দু-চুমুক দুধের ওপর ঘণ সর। সরলা নারীর আদরভরা গাল।
যে নরম আলোয় ভরাতে চাও তোমার সংশয়ের আলেখ্য,
শাড়ির আঁচলে অপমানের তৈলচিত্র।
যেখানে দীর্ঘশ্বাস যথেষ্ট নয়-

আঁকো-
তোমার বিদ্রোহ জাগ্রত হবে।

Advertisements